পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ২৭ জুলাই, ২০১২

♥♥♥ঝগড়া এবং প্রেম... মাধ্যম একটি গোলাপি ছাতা♥♥♥



  -♥এফ এম আশ্রাফুল আউয়াল রানা♥
নীলক্ষেতের মোরে রিক্সা থেকে নামতেই ভিজে চুপসে গেলাম, মাথা ও শরীরে আকাশ হতে নিক্ষিপ্ত বরফের অত্যাচার। এ তো ভয়ংকর বৃষ্টিরে বাবা। মোবাইলটা কোনও মতে পকেটে চালান দিয়ে ভোঁ দৌড় মারলাম, গন্তব্য সামনের দোকান গুলোর কোনও চিপা, যার উপর দিয়ে ওই মেঘঘন আকাশটা দেখা যায় না। দৌড়াচ্ছি আর আশেপাশের চিপাগুলো দেখছি, মানুষে টাঁসা, শালা এই দেশের জনসংখ্যা এতো বেশি কেন, ছোটবেলায় পড়েছিলাম... বিনোদনের যথেষ্ট উপকরন না থাকায় যৌনতাই বিনোদনের উপলক্ষ, কিন্তু এখনতো বিনোদনের অভাব নাই, তাও জনসংখ্যা এতো বেশি কেন? ব্লগে এর উপর ব্যাপক একটা লেখা লিখতে হবে, তার আগে নিজেরে বাচাইতে হবে। একটা দোকানে কিছুটা হালকা অবস্থা মনে হচ্ছে, ওই দিকেই যাই... বাকিটা উপরয়ালার কৃপা।

সোমবার, ৪ জুন, ২০১২

♥♥♥ভালবাসা এবং অতঃপর♥♥♥

♥Shafiqul Islam♥

বারবার ফোন বাজছে। একটানা বেজেই চলেছে। কিন্তু সেদিকে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই অভির। কারণ ও ভালভাবেই জানে ফোনটা কার। ফোনের আওয়াজটা এখন ওর কাছে হেমলকের মত বিষাক্ত মনে হচ্ছে। বিরক্তির ভাজটা কয়েকটা সমান্তরাল রেখা হয়ে পুরো কপালের উপর ছেঁয়ে গেছে। বালিশের উপর মাথা উপুড় করে শুয়ে আছে অভি। বারবার পা দিয়ে দেয়ালকে আঘাত করছে আর বাঁহাত দিয়ে ডানহাত শক্ত করে ধরে আছে। এখনো ফোন বাঁজছে। ক্রমাগত ফোনের শব্দে বিরক্তির রেখাটা দ্বিগুণতর হল। শেষমেশ সিধান্ত নিল ফোনটা ধরবে আর ধরেই একটা কঠিন ঝাড়ি দিবে অহনাকে। রাগ্রতস্বরে বলবে কেন তাকে ফোন দিয়েছে।
: কেন ফোন....আর কিছু বলতে পারল না অভি।

শনিবার, ৫ মে, ২০১২

                                  ♥♥♥অবাক ভালবাসা♥♥♥ 

                                                                     ♥Asm Zhinuk♥
অর্পিতা: হ্যালো, কী অবস্থা, কেমন আছ?
পাভেল: এই তো আছি। তোমার কী খবর?
অর্পিতা: ভালো আছি। শোনো, তোমার সঙ্গে আমার একটা জরুরি কথা আছে।
পাভেল: কী হয়েছে? কোনো সমস্যা!
অর্পিতা: হ্যাঁ, সমস্যা। আমি আসলে তোমার মন খারাপ করিয়ে দিতে চাই না। যদিও জানি এতে তোমার মন খারাপ হবে।
ফোনটা কানে রেখে পাভেল কোনো কথা না বলে ভাবছে, এসব কী বলছে অর্পিতা! সে কী আমার সঙ্গে ব্রেক-আপ করতে চায়? ও গড, প্লিজ। আমি তো মারাই যাব। কীভাবে বাঁচব ওকে ছাড়া!

অর্পিতা: কী হলো? কথা বলছ না কেন? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না, কথাটা তোমাকে কীভাবে বলব।

                         ♥♥♥ যেখানে থেকো সুখে থেকো . ♥♥♥.....


রাতুল এলাকায় নতুন, তেমন কিছু একটা চেনে না । রাতুল এর আব্বু ইচ্ছা করে ঢাকা ছেড়ে খুলনা এসেছে । কেন এসেছে তা এখন বুঝে ওঠা হইনি তার । ক্লাস ১০ এ পড়ে সে, এমন সময় এ জায়গা বদল টা আসলেই সমস্যা এর সৃষ্টি করে । কিন্তু কিছু করার নেই, পড়াশুনা চালিয়ে যেতে হবে তাই বাসার সামনের আলফা কোচিং এ ভর্তি হল । ভাল ই যাচ্ছিল সময় টা যতক্ষণ না সেখানের স্যাররা ছেলেদের আর মেয়েদের ব্যাচ এক করে দিলেন । প্রথম প্রথম রাতুল এর অনেক লজ্জা লাগত মেয়েদের সামনে কথা বলতে, স্যার এর প্রশ্নের জবাব দিতে, কোন কিছু মুক্ত ভাবে করতে ।